দীর্ঘ ২২ বছর পর আগামী সোমবার খুলনায় আসছেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ওইদিন সকাল ১০ টায় খালিশপুরের প্রভাতী স্কুল মাঠে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দিবেন। তার আগমনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন জানান, ২০০৪ সালে তৃণমূল প্রতিনিধি সমাবেশে সর্বশেষ খুলনায় এসেছিলেন তিনি। ওইদিন জিয়া হলে সমাবেশে ভাষণ দেন তারেক রহমান। ২২ বছর পর প্রিয় নেতার সফরকে কেন্দ্র করে কর্মীদের মাঝে উৎসবের আমেজ শুরু হয়েছে। খুলনার স্মরণকালের সর্বোচ্চ উপস্থিতি নিশ্চিত করে তাকে স্বাগত জানানো হবে।
এদিকে যশোর থেকে আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, যশোরে আসছেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ নিয়ে জেলা জুড়ে বিএনপি’র নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা ছড়িয়ে পড়েছে। তার আগমনের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি’র খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ও যশোর সদর আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
যশোর শহর ও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে তিনি তারেক রহমানের আগমনের বিষয়টি জানান। নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, আগামী ২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে তারেক রহমান যশোরে আসবেন এবং উপশহর ডিগ্রী কলেজ মাঠে আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দিবেন।
এ বিষয়ে যশোর জেলা বিএনপি’র সভাপতি এ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, “তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে যশোর উপশহর ডিগ্রি কলেজ মাঠকে প্রাথমিকভাবে সম্ভাব্য স্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।”
এ মাঠ শুক্রবার দুপুরে পরিদর্শন করেন দলের খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জেলা বিএনপি’র সভাপতি এ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুসহ নেতাকর্মীরা।
তারেক রহমানের সম্ভাব্য যশোর আগমনের খবরে শুধু বিএনপি’র নেতাকর্মী নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন পর কেন্দ্রীয় নেতার আগমন ঘিরে যশোরে বড় ধরনের রাজনৈতিক সমাবেশ হতে পারে বলে অনেকে ধারণা করছেন।
এদিকে, সম্প্রতি যশোর ঘুরে গিয়েছেন জামায়াতের আমির ডাঃ, শফিকুর রহমান। তিনি যশোরবাসীর জন্য নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তারেক রহমান কী দিবেন তানিয়ে চলছে কৌতুহল। সব মিলিয়ে তারেক রহমানের যশোর সফরের খবরে বিএনপি’র রাজনীতিতে নতুন গতি সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
খুলনা গেজেট/এনএম



